যেকোন লক্ষ্য বাস্তবায়নের একটি উপকারী পদ্ধতি…

২০১৬ এর শুরুতে ঠিক করেছিলাম, একটি গানের অ্যালবাম বের করব, ২০১৬ শেষ, একটি অ্যালবাম তো দূরের কথা একটি গানও প্রকাশ করার মতো ভালোভাবে রেকর্ড করা হয়নি। কারো ক্ষেত্রে এই অ্যালবাম বের করা, আবার কারো ক্ষেত্রে একটি বই লিখা, কারো ক্ষেত্রে ৫-১০টি বই পড়া, কারো ক্ষেত্রে একটি উদ্যোগ নেওয়া, কিন্তু ২০১৬ এর সমাপ্তিটি আমাদের সাবারই প্রায় একই।

আমরা ভালো একাডেমিক ফলাফল চাই, কিন্তু দৈনন্দিন জীবনের অন্যান্য বিচিত্র সব কাজ করে যদি সময় পাই তখন গিয়ে পড়তে বসি। সব করি, খেলা, মুভি দেখা, ঘুরতে যাওয়া, আড্ডা দেওয়া, অন্য যেকোন কাজ, সবই আগে করি, কিন্তু যেটাতে আমি সবচেয়ে ভালো করতে চাই সেটা করি বা করতে যাই সবার শেষে। তাও যদি সময় থাকে, তখন।

কিন্তু এভাবে কোন আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়ন হয় না। তবে যদি আমি আমার স্বপ্নের বাস্তবায়ন চাই, লক্ষ্যের বাস্তবায়ন চাই, সেক্ষেত্রে একটু দারুণ উপায় আছে। আর তা হলো, যা করতে চাই, তাকে “নাম্বার-ওয়ান” প্রাইয়োরিটি দিয়ে বাকি সবকিছুর আবর্তন। অর্থাৎ যদি আমি একটি বই লিখতে চাই ২০১৭ তবে, আমার যা করা উচিত তা হলো, প্রতিদিন সবার আগে বই লিখার জন্য সময় ও ব্যবস্থা ঠিক করা এবং লিখাতে সময় দেওয়া। তারপর অন্যান্য কাজগুলো এই বই লিখার কাজ সম্পন্নের পর বিভিন্ন সময়ে সুবিধামত করা। তাহলে দেখবেন, অনায়াসেই নিজের লক্ষ্যে পৌছে যাবেন।

এই সহজ-সরল একটি “পলিসি” যদি আপনি অবলম্বন করতে পারেন, তবে আপনি বেশ নিশ্চিত থাকতে পারেন যে, আপনার লক্ষ্যে আপনি পৌছাবেন। এটি সফল ও দক্ষ মানুষদের দ্বারা পরীক্ষিত একটি পদ্ধতি।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *