নিজের উপর নজরদারী

কিছুদিন আগের ঘটনা।

চশমা হারিয়ে ফেলেছিলাম।

সে এক বিরক্তিকর অবস্থা, বাসা থেকে বের হওয়ার সময় চশমা অবশ্যই নিয়ে বের হতে হবে, কারন তাছাড়া তো পথ চলতে পারব না। এরই মধ্যে একটি আলোড়ন তুলে ফেলেছি, চশমা পাচ্ছি না বলে।

সবাই মিলে খুঁজেও পাওয়া যাচ্ছে না। আমার যখন সময়ের সঙ্কট থাকে তখন মাঝে মাঝেই হুট করে “খিট-খিটে” হয়ে যাই, তো আশাকরি বুঝাই যাচ্ছে সবাইকে কি চাপের মধ্যে ফেলে দিয়েছিলাম।

যাইহোক, আমার চশমা খুঁজতে খুঁজতে আর বকা শুনতে শুনতে বাসার সবাই যখন “নাস্তানাবুদ”, হঠাত তখন কপালের “ঘাম” মুছতে গিয়ে টনক নড়ল, চশমা তো আমার চোখেই। “বোকা” বনে গেলাম কিছুক্ষণের জন্য, নিজের উপর বিরক্ত হলাম। তারপর আর কি, বিদায় নিয়ে বের হয়ে পড়লাম।

 

নিজেকে জানা

তো এই ঘটনা টি শুধু চশমা’র জন্যই ঘটে তা কিন্তু না।

অনেক কিছুর জন্যই ঘটতে পারে এবং ঘটে অনেকের সাথে। চোখে চশমা রেখেই আমি যেমন চশমা খুঁজে বেড়াচ্ছিলাম, আমরা তেমনি নিজের মধ্যে থাকা “শক্তির উৎস” (power house) এর দিকে না তাকিয়ে, বাহিরে হণ্যে হয়ে “সুখ ও শক্তি” খুঁজে বেড়াই।

 

মানুষ, টাকা আর নানান বস্তুর মধ্যে সুখ খুঁজে বেড়ায়, যার কোনটার উপরই আমাদের নিয়ন্ত্রণ নেই। ফলে সুখের হরিণের পিছন ছুটতে ছুটতে জীবন কেটে যায়, কিন্তু হরিণের দেখা পাই না। অন্যদিকে আমার মধ্যেই যে “পাওয়ার হাউজ” আছে, তাও তো জানি না আমি। একটি ফোনসেট কেনার আগে আমি ভালোভাবে ফোনসেটটির “কনফিগারেশন” দেখি, ক্যাপাসিটি কেমন ইত্যাদি নিয়ে জানার চেষ্টা করি, কারন আমার কাজের বা দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজন ফোন টি কতটা পূরণ করতে পারবে তার উপর নির্ভর করে আমি কিনব কি কিনব না। আমি মুভি কিংবা টিভি সিরিজও রাখতে চাই, তাই আমার কিন্তু “মেমোরি স্পেইস” বেশি দরকার, অনেক অ্যাপ্লিকেশন চলবে, যার জন্য “র‍্যাম” ও বেশি দরকার।

যদি আমরা নিজেদেরকে একটি “ডিভাইস” এর মত কল্পনা করি, এবং এই প্রচেষ্টাটুকুও যদি দেই এই “ডিভাইস” টি সম্পর্কে জানার জন্য, তাহলে আমরা এই “ডিভাইস” টির ক্ষমতার কিছুটা হলে বুঝতে পারি। একটি ফোনসেট সম্পর্কে ভালোভাবে জানলে যেমন সেটির সর্বোচ্চ এবং সুস্থ ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়, ঠিক তেমনি নিজেদের জানলে কিংবা নিজের “ডিভাইস” সম্পর্কে জানলে এর থেকে চমৎকার কাজ বের করে আনা যায় এবং সফল মানুষরা তা-ই করেছে।

দিন সবার জন্যই ২৪ঘন্টা, কিন্তু যার “ডিভাইস” সম্পর্কে যত ভালো ধারনা বা জ্ঞান থাকে, তার কর্মদক্ষতা(efficiency) তত বেশি। আর যার কর্মদক্ষতা যত বেশি, ঐ একই সময়ে সে অন্যদের চেয়ে বেশি কাজ সম্পন্ন করতে পারবে, এটাই কি স্বাভাবিক নয়?

আমি “মানুষ” কে সর্বকালের সর্বোন্নত “যন্ত্র”(Device) হিসেবেই বিবেচনা করি এবং এটি আমার কাছে সর্বাধিক কার্যকরী থিওরি। অর্থাৎ নিজেকে ভালোভাবে জানলে নিজের ভিতরের দৈত্যটি(আবদুল্লাহ আবু সাইদ স্যার এর ভাষায়) খুঁজে পাওয়া সম্ভব এবং তার সর্বাধিক কার্যকর ফলাফলও অর্জন করা সম্ভব।

বিখ্যাত মনীষী, জালালুদ্দিন রুমি’র ভাষায়, আপনি হন্যে হয়ে একরুম থেকে অন্যরুমে ডায়মন্ড নেকলেস টি খুঁজে বেড়ান, অথচ সেটি আপনার গলায়-ই বাঁধা।

সকল উচ্চাকাঙ্ক্ষী মানুষদের সাফল্যের জন্য “আত্ন-সচেতনতা”(self awareness) অত্যাবশ্যক। ৪র্থ শিল্প বিপ্লবে আমরা “work hard” এর চেয়ে “work smart” কে বেশি গুরুত্ব দেই, আর এই smart work এর জন্য smart মানুষ খুঁজি। এবং যে নিজের শক্তির দিকগুলো, দূর্বল দিকগুলো  এবং নিজের ক্ষমতা সম্পর্কে অবগত, তার performance অন্যদের চেয়ে অনেক ভালো হবে এটাই তো স্বাভাবিক। “Importance of self-awareness” লিখে google করলে হার্ভার্ড বিজনেস রিভিউ, এমআইটি স্লোন রিভিউ, ফোর্বস ম্যাগাজিনের মত প্রসিদ্ধ ম্যাগাজিনে অনেক লেখা পাওয়া যাবে।

অতএব, নিজের সম্পর্কে জানুন, নিজের ভাল-মন্দ সব জানার চেষ্টা করুন।

 

অভ্যাস

অ্যারিস্টোটল বলেছিল, We are what we repeatedly do. Excellence is not an act, but a habit.”. ছোটবেলায় পড়েছিলাম, “ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বালুকনা, বিন্দু-বিন্দু জল, গড়ে তোলে মহাদেশ, সাগর অতল”।

 

প্রিয় পাঠক, অনুপ্রেরনা যোগাতে নয় কেবলি বাস্তবতা তুলে ধরছি, যুগ যুগ ধরে প্রমাণিত হয়ে আসা যে সত্যগুলো, সফল মানুষদের কাছ থেকে শুনেছি এবং নিজেও উপলব্ধি করেছি, সেসব সত্যগুলো উপস্থাপন করছি। কারন আমার মনেহয়, যত আগে আমরা এই ব্যাপারগুলোর ব্যাপারে সচেতন হবে, তত আগে আমাদের জীবনে আমরা কল্যান আনতে পারব।  

একটি ছোট ভালো অভ্যাস আমাদের জীবনে যে অভাবনীয় অর্জন এনে দিতে সক্ষম, একাধিক চমকপ্রদ কিন্তু বিচ্ছিন্ন ভালো কাজ, যা অভ্যাস নয়, অনুরূপ ফলাফল সাধারণত আনতে পারে না। বলা হয়ে থাকে, সফল হতে চাইলে সাফল্যের “অভ্যাস” গড়ো আগে, অর্থাৎ এমন কিছু অভ্যাস গড়ে তুলো, যে “অভ্যাসগুলো” তোমাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে “সফল” করে তুলবে। সফল মানুষদের নিয়ে অনেকদিনের পড়াশুনা থেকে, এই ব্যাপারটির তাতপর্য ভালো ভাবে অনুভব করেছিলাম। কিছু ক্ষেত্রে এমন “স্বয়ংক্রিয়তা”(Automation) অভাবনীয় ফলাফল আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিছু উল্লেখযোগ্য অভ্যাস হলো, খুব ভোরে ঘুম থেকে উঠা,

শারীরিক ব্যায়াম(Workout) করা, পর্যাপ্ত পানি পান করা, নিয়মিত ভালো বই/লেখা পড়া, কিছু সময় একাকী সময়(Reflective Hour) কাটানো, কৃতজ্ঞতাবোধের চর্চা করা, পরিবার কে সময় দেয়া, দিনের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজটি ভোর-সকালে করে ফেলা এবং পর্যাপ্ত ঘুমানো।  

“মন” ও দেহের সুস্থতা এবং প্রাণবন্ততা Excellent Performance এর পূর্বশর্ত। আপনি যখন এদের যথাযথ যত্ন নিবেন, ওরা তখন আপনার “জীবনমান” এর যত্ন নিবে এবং নিশ্চয়তা দিবে।  

 

ব্যক্তিগত অর্থব্যবস্থাপনা (Personal Finance)

কয়েকমাস আগেও “টাকা” এর উপর আমার নিয়ন্ত্রণ ছিলনা, আবেগতাড়িত কেনাকাটা(Impulsive Shopping) করতাম। কিছু দেখলেই কিনতে ইচ্ছে করত, প্রয়োজন থাকুক আর না থাকুক, টাকা থাকুক আর না থাকুক, কিনতে উদ্যত হতাম এবং কিনতাম। কোন সীমাবদ্ধতা কিংবা প্রয়োজনীয়তাই যেন বাঁধা হতে পারত না। কিন্তু ধীরে ধীরে নিজের দৈনন্দিন কার্যক্রমের ব্যাপারে সচেতন হতে হতে পদক্ষেপ নিই নিয়ন্ত্রণের। আমি এখনো খরচ কমাতে পারিনি, তবে নজর রাখতে পারছি ১০০% যে আমার টাকা কোথায় কেন এবং কেমন যাচ্ছে। মাসের পর মাস “Trend” দেখি, Expenditure Sheet থেকে খরচের Pattern দেখা যায় এবং অপ্রয়োজনীয় খাতগুলো চিহ্নিত করা যায়, এবং কোথায় খরচ কমানো সম্ভব সেগুলো ধরা পড়ে, ফলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া যায়। এটি একটি “science”, এবং আমার কাছে “art” ও মনেহয়। যেখানে প্রয়োজন নেই, সেখানে অযাচিত টাকা খরচ করার কোন স্বার্থকতা নেই। অর্থাৎ অর্থের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য এবং আয়ের সাথে ব্যায়ের সামঞ্জস্যের জন্য এই “ব্যবস্থাপনা” টি শেখা বা চর্চা করা জরুরী। মাসে যদি কারো ৫০০০ টাকাও লেন-দেন হয়, তারও এটা শেখা দরকার। টাকার পরিমান এখানে মুখ্য নয়, মুখ্য হচ্ছে সম্পদের যথাযথ ব্যবস্থাপনা(efficient management) নিশ্চিত করা। খেয়াল করলে দেখবেন, কিপ্টেমি না করেও অনেক মানুষ খুব অল্প বেতনের চাকরি করে এমন অনেক কিছু গড়তে পারে, যা তার চেয়ে বেশি বেতন নিয়েও অনেকে করতে পারে না। তাই Financial Literacy & Management আমাদের দৈনন্দিন জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

আপনি যদি আপনার অর্থের যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে না পারেন, তবে আপনি যত টাকাই উপার্জন করেন না কেন, সমৃদ্ধি আসবে না।  

ইংরেজী তে একটি কথা প্রায়ই শোনা হয়, “watch you pennies”। আর তার জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে একটি এনড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করি, যেটির সহায়তায় ব্যায়ের উপর নিয়ন্ত্রণ পেয়েছি। খরচ কমাতে না পারলেও কোথায় যাচ্ছে তা অন্তত ট্র্যাক করা যায় এর মাধ্যমে, যেটি তবুও একটি প্রশান্তি এনে দেয়।

 

বংশ ও পরিবার কে জানা

লক্ষ্য করে দেখবেন, ডাক্তাররা মাঝে মাঝেই আপনাকে আপনার পরিবার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, বিশেষ করে আপনার পরিবারের কারো নির্দ্রিষ্ট কোন রোগ ছিল কিনা, এটা ছিল কিনা, ঐটা ছিল কিনা। আমরা বংশগতভাবে অনেক বৈশিষ্ট নিয়ে জন্ম নেই, জীবনের বিভিন্ন সময়ে সময়ে এরা একে একে আত্নপ্রকাশ করে।

তাই আপনি যদি নিজের পরিবার এবং পূর্বপুরুষদের জীবনযাপনের ধরন, অভ্যাস ও স্বাস্থ্যের ব্যাপারে জানতে পারেন ভালোভাবে, তবে আপনি যেকোন নেতিবাচক জিনিস আপনার উপর প্রভাব বিস্তার করার পূর্বেই আপনি সতর্ক হয়ে যেতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে পারবেন। যা আপনাকে অনেক ভয়াবহ রোগ ও পরিস্থিতি থেকে বাচিয়ে দিতে সক্ষম হবে।

আমাদের জীবনের সুস্বাস্থ্যের চেয়ে মূল্যবান আর কিছু নেই। সুস্বাস্থ্য জীবনের লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য একটি পূর্বশর্তের ন্যায়।   

 

সময় = টাকা

সময় আর স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না। এর ব্যাখ্যা করতে করতেই আমরা বড় হয়েছি। কিন্তু মনেপ্রাণে কতটা ধারন করতে পেরেছি, সেটাই হলো গুরুত্বপূর্ণ। মাস, দিন এমনকি ঘন্টার হিসাব থেকে যদি আমরা মিনিটের হিসেবে বেশি অভ্যস্থ হয়ে যেতে পারি, তবে সেটি চমৎকার ফলাফল আনতে সক্ষম। অর্থাৎ মিনিটের হিসাব করে চলা, কত মিনিটে কি করব বা করেছি। আমরা জানি দিনে ১৪৪০ মিনিট, যদি সর্বোচ্চ ব্যবহার আমরা নিশ্চিত করতে পারি, তবে আমরা আমাদের স্বপ্নও ছাড়িয়ে যেতে পারব বলে আমার বিশ্বাস। তার মানে ২৪ঘন্টার হিসাব থেকে আমাদের ফোকাস ১৪৪০মিনিটের গণনায় নিয়ে আসলে দারুণ ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া সম্ভব।

 

সবশেষে, একটি ব্যাপার শেয়ার না করে পারছি না। দৈনন্দিন জীবনে কিছু কিছু ব্যাপার খুব তুচ্ছ হিসেবে বিবেচিত হলেও এদের সামগ্রিক প্রভাব অনেক অবাক করার মতো। ধরুন, আপনার পড়ার টেবিলের সাথে যে চেয়ারটি আছে, যেটিতে আপনি বসে পড়াশুনা করেন, সেই চেয়ারটি অতটা Comfortable না, বসা যায়, কাজ করা যায়, কোন সমস্যা নেই, তবে বসার অভিজ্ঞতাটি অতটা স্বস্তিদায়ক নয়, খানিকটা অস্বস্তিকর। তবে এই ব্যাপারটি আপনার দৈনন্দিনের কাজের ভিরে এতই তুচ্ছ যে আপনি এতে অতটা গুরুত্ব দেয়ার প্রয়োজন অনুভব করেন না। কিন্তু এই বসার অভিজ্ঞতাটির কারনে আপনার নিজের অজান্তেই চেয়ার ছেড়ে উঠার একটি প্রবণতা কাজ করবে। দিনে যদি আপনি গড়ে ৪ বার ঐ চেয়ারে পড়তে বসেন, আর প্রতিবার যদি আপনি নিজের অজান্তেই আপনার স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে ৪ মিনিট আগে উঠে পড়েন, তবে প্রতিদিন আপনার ১৬মিনিট চেয়ারের কারনে ছুটে গেল, আর তা গেল আপনার পড়ার কিংবা কাজের সময় থেকে। এভাবে ৩০ দিনে ছুটে যায় আপনার সর্বাধিক মূল্যবান ৪৮০ মিনিট বা ৮ঘন্টা। এই ৮ঘন্টায় পৃথিবী কতটা বদলে দিতে পারতেন, গতানুগতিক সে হিসাব আমি দিচ্ছি না, পড়ার কাজ করলে অনেক উপকৃত হবেন সেটি আমি বলার আগেই আপনি জানেন। তবে এটুকু তো বলতে পারি যে, ৮ঘন্টায় একটি টিভি সিরিজের “সিজন” শেষ করা যায়, ৪/৫টি মুভি দেখা যায়, ২/৩ দিন বন্ধুদের সাথে ভালো কোথাও বেড়াতে যাওয়া যায় এবং আড্ডা দেওয়া যায়। আরো অনেক কিছু করা যায় যেগুলো আপনার মন কে সতেজ করে, নতুন উদ্যমে কাজে নামার জন্য এবং কাজ করার জন্য উদ্দীপনা যোগায়, সাহস দেয়। দৈনন্দিন জীবনে এটাও তো অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া “Hangout” ছিল, এমন কোন মাসে আপনার Performance, “Hangout” বিহীন মাসের কাজের তুলনায় অনেকগুণ ভালো হবে, এটাই প্রত্যাশিত। কিন্তু ওভাবে, চেয়ারের তুচ্ছ সমস্যা টি উপেক্ষা করে প্রতিদিন সময় একটু একটু করে হারিয়ে গেলে আপনি তো কিছুই পেলেন না, না হলো পড়াশুনা, না হলো বিনোদন বা মানসিক পরত্রান। তাই, যা কিছু কে আপনি-আমি নিত্যদিন তুচ্ছ বলে উড়িয়ে দিচ্ছি, তা আপনার-আমার জীবনে সামগ্রিক কতটা প্রভাব ফেলতে সক্ষম তা কিন্তু বেশ ভাবনা উদ্দিপক, চেয়ারের বিষয়টি একটি উদাহরণ। তার চেয়ে প্রকট আরো উদাহরণ আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আছে।

কিন্তু আমরা তো হাজার বছর বাচি না, মন্দ কি যদি আমাদের সামান্য সচেতনতা আমাদের জীবন কে আরো স্বার্থক ও অর্থবহুল করে তোলে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *